বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম চালিকাশক্তি—বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা দিনের পর দিন বঞ্চনার শিকার হচ্ছেন। তাঁদের জন্য ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল বাড়ি ভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা এবং শ্রান্তি ভাতা। অথচ আজও সেই ভাতাগুলোর প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। প্রশ্ন হলো—এত দেরি কেন? এর পেছনে কি কোনো প্রশাসনিক অবহেলা? নাকি সচেতনভাবে এই শ্রেণিকে দুর্বল করে রাখার কৌশল?
শিক্ষকগণ কোনো ভিক্ষুক নন—তারা জাতি গঠনের কারিগর। তাঁদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নে সরকারের দায়িত্ব শুধু মুখে আশ্বাস দিয়ে শেষ হয় না, বাস্তবে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন ঘটাতে হয়।
বাড়ি ভাড়া ভাতা নিয়ে শিক্ষক সমাজ দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছে। অথচ সরকারি শিক্ষকরা এই সুবিধা পাচ্ছেন নিয়মিত, সেখানে বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অজানা কারণে রয়েছে অদৃশ্য বাধা। এ কেমন বৈষম্য?
চিকিৎসা ভাতা ও শ্রান্তি ভাতার কথা বললে তা যেন আরও উপহাসের মতো শোনায়। একজন শিক্ষক যখন অসুস্থ হন, তাঁর চিকিৎসা খরচ বহনের সামর্থ্য থাকে না, তখন তাঁর পরিবারের সামনে অন্ধকার নেমে আসে। অথচ বাজেট বরাদ্দের কথা বলা হলেও সেই অর্থ শিক্ষকদের হাতে পৌঁছায় না, বরং ফাইল হয়ে পড়ে থাকে সচিবালয়ের ধুলোয় ঢাকা টেবিলে।
❗ কী চায় শিক্ষক সমাজ?
- অবিলম্বে তিনটি ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা—দেরির কারণ কী?
- এই বিষয়ে দায়ী প্রশাসনিক ব্যক্তিদের জবাবদিহি
এ দেশের শিক্ষক সমাজকে আর ঘুম পাড়ানো যাবে না। যদি সরকার প্রকৃত অর্থেই শিক্ষকদের সম্মান দিতে চায়, তবে এসব ন্যায্য ভাতাগুলোর প্রজ্ঞাপন এখনই জারি করতে হবে—না হলে আন্দোলনের আগুন আরও জ্বলবে।
#বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী,
#বাড়ি ভাড়া ভাতা,
# চিকিৎসা ভাতা,
#শ্রান্তি ভাতা,
#প্রজ্ঞাপন,
#দেরি,
#সরকারি অবহেলা


Post a Comment