Facebook Twitter LinkedIn YouTube Pinterest
paramount global news today

বেতন নিয়ে নাটক চলছেই
 

বেতন নিয়ে নাটক চলছেই—শিক্ষকদের ধৈর্য্যের বাঁধ এবার ভাঙবেই!

তারিখঃ ১৫ জুলাই, ২০২৫।

আজ ১৫ তারিখ। জুলাই মাসের মাঝপথ পেরিয়ে গেছে। অথচ জুন-২০২৫ মাসের বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন এখনো পর্যন্ত ছাড় হয়নি! এটা কি একেবারেই সাধারণ কিছু? নাকি বারবার শিক্ষক সমাজকে নিয়ে তামাশা করার সরকারিভাবে অনুমোদিত নতুন কোনো খেলা?

এটা তো পরিষ্কার নাটক—একটা নির্দয়, নির্মম নাটক। যেখানে চরিত্রগুলো শুধুই বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী, যাদের মুখে হাসি নেই, ঘরে ভাত নেই, পকেটে পয়সা নেই। আর মঞ্চের পরিচালক? হয়তো অদৃশ্য ক্ষমতা-কেন্দ্রিক কিছু পিশাচ, যাদের কাছে শিক্ষক মানে শুধুই ‘বিনে খেটে মরার যন্ত্র’।

🔴 ধৈর্যের শেষ সীমানায় শিক্ষকরা

শিক্ষকদের জীবন এখন রীতিমতো ট্রাজেডির চূড়ান্ত রূপ। বেতন না পেয়ে কেউ ঋণের বোঝায় ডুবে যাচ্ছে, কেউ বাজারে বাকিতে হাটতে গিয়ে অপমানের শিকার হচ্ছে। অথচ কর্তৃপক্ষ নির্লিপ্ত! যেন বেতন না দিলেও তাদের কিছুই যায় আসে না।

এই অমানবিকতা, এই অবহেলা, এই চরম লজ্জাজনক অবস্থার জন্য দায়ী কে? শিক্ষা মন্ত্রণালয়? মহাব্যবস্থাপক? নাকি রাজনৈতিক অঙ্গনের অস্পষ্টতা? না কি আমলাতান্ত্রিক অসুস্থতা?

💢 "আর কত সহ্য করবো?"

মুখ ফুটে বলতে ইচ্ছা করছে—এই অবস্থা আর সহ্য করা যাচ্ছে না! প্রতিটি শিক্ষক এখন নিজের মধ্যে একেকটা বিস্ফোরণ চেপে রাখছে।

“শিক্ষক তো আর কুকুর না—ডান্ডা দেখালে ছুটবে, গলা শুকালে কাঁদবে। শিক্ষকও মানুষ, তারও পরিবার আছে, তারও পেট আছে!”

অথচ এদেশে শিক্ষক মানেই যেন চিরদরিদ্র এক গোলাম শ্রেণি! বেতন বকেয়া, ভাতা বন্ধ, পেনশন স্বপ্ন, বদলি কল্পকাহিনি! এই কেমন রাষ্ট্র, এই কেমন দেশ?

😠 অভিমান আর গালাগালির সীমা ছাড়িয়েছে

আজ যাদের ঘরে চাল নেই, বাচ্চার স্কুল ফি বাকি, ঔষধ কেনা সম্ভব নয়—তাদের মুখ থেকে আর ‘ভদ্র ভাষা’ আশা করবেন না। তারা আজ গালি দিতেই বাধ্য। কারণ তারা আজ “বেতন না পেয়ে ক্ষুধার্ত, অপমানিত ও ক্ষুব্ধ মানুষ”।

আপনি যদি ভাবেন, শিক্ষকরা চুপ থাকবে, তাহলে ভুল করছেন। এবার যদি রাস্তায় নামে—তাহলে আপনি, আপনার সিস্টেম, আপনার গদি কাঁপবে। কারণ “শিক্ষক যদি প্রতিবাদে জ্বলে ওঠে, তাহলে আগুন নিভাতে রাজনীতির পানি কাজ করবে না।”

⚠️ নাটকের পরিসমাপ্তি চাই, এখনই!

এই বেতন নাটকের ইতি টানুন। শিক্ষক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন আজই পরিশোধ করুন। না হলে আর চুপ করে বসে থাকা সম্ভব নয়। আমরা পথে নামবো, আমরা কথা বলবো, আমরা থামবো না।

কারণ এবার ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেছে। শিক্ষকরা আর “চুপচাপ সহ্য করা প্রজাতি” নয়।

এই বার্তা পৌঁছে দিন—আমরা শিক্ষক, আমাদের নিয়ে খেলবেন না!

✍️ একজন বেসরকারি শিক্ষক, ক্ষুধার্ত কিন্তু মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো মানুষ।


Related Article: অবসাদ ও টেনশন থেকে মুক্তি পেতে পড়ুন

Post a Comment

Previous Post Next Post

Smartwatchs